Day: October 30, 2019

জুয়াড়িরা সাকিবকে কী বলেছিল

জুয়াড়িরা সাকিবকে কী বলেছিল

আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে জুয়াড়ি আগারওয়ালের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের লম্বা সময়ের যোগাযোগের চিত্র। হোয়াটসঅ্যাপে সাকিব আর আগারওয়ালের যোগাযোগ চলেছে প্রায় ছয় মাস। আইসিসির তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব বিষয় উঠে এসেছে তা তুলে ধরা হলো কালের কণ্ঠ’র পাঠকের জন্য। নেপথ্যের ঘটনার সারাংশ ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি এবং ২৭ আগস্ট, বাংলাদেশে সাকিব আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ এসিইউ। এই জিজ্ঞাসাবাদে তাঁকে সন্দেহভাজন দীপক আগারওয়ালের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাকিবের দেওয়া উত্তর কিংবা দেওয়া তথ্য তাঁর বিপক্ষেও যেতে পারে, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলেও সাকিবকে সতর্ক করা হয়। সাকিব আল হাসান স্বীকার করেন সন্দেহভাজন দীপক আগারওয়ালের কাছ থেকে পাওয়া একাধিক প্রস্তাবের কথা আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগ
একই জুয়াড়ি প্রস্তাব দিয়েছিল তামিমকেও

একই জুয়াড়ি প্রস্তাব দিয়েছিল তামিমকেও

ক্রিকেট, খেলা, প্রধান সংবাদ
দীপক আগারওয়াল। দিল্লির চিহ্নিত ক্রিকেট জুয়াড়ি। আইসিসির অ্যান্টিকরাপশন ইউনিটে (আকসু) এই ভারতীয়র ইতিবৃত্ত সংরক্ষিত আছে। সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার ঘটনায় বাংলাদেশে উচ্চারিত এ নামটি অবশ্য জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের কাছে নতুন নয়। ২০১৭ সালের নভেম্বরে দীপক আগারওয়াল জুয়ার ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলেন তারকা ওপেনার তামিম ইকবালকেও। কিন্তু তাৎক্ষণিক তিনি বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করায় বিপাকে পড়তে হয়নি তাঁকে। গতকাল আইসিসি প্রেরিত সাকিবের আমলনামায় সংযুক্ত তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের যে বিশাল ফিরিস্তি দেওয়া আছে, সেখানেও দীপক আগারওয়ালের নাম রয়েছে। আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তাকে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে সাকিব জানিয়েছেন, ২০১৭ সালের নভেম্বরে পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে তাঁর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন দীপক আগারওয়াল। এটা তিনি জানতেন। এবং এটাও জানতেন যে তাঁর পরিচিত ব্যক্তির (নাম উল্লেখ