Day: September 6, 2019

বাংলাদেশি সিনেমার সুপারহিরো, সুপারহিরোইন ও সুপারভিলেনদের গল্প

বাংলাদেশি সিনেমার সুপারহিরো, সুপারহিরোইন ও সুপারভিলেনদের গল্প

বিনোদন
হিমেল হিমু : এমন লোক হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না যে শৈশবে সুপারহিরো হওয়া বা সুপারপাওয়ার পাবার স্বপ্ন দেখেনি। বাস্তবে সুপারপাওয়ার হাসিল করা সহজ কিছু না হলেও, সিনেমাতে সুপারহিরোদের চোখ ধাঁধানো এ্যাকশন দেখে আমরা সহজেই পুলকিত হই। বেশিরভাগ সুপারহিরো সিনেমা-ই হয় বিগ বাজেটের। আর আমাদের দেশের সিনেমার বাজেট খুবই সীমিত। তারপরও আমাদের দেশের কয়েকজন পরিচালক হাজার সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কিছু সুপারহিরোদের আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন। আজ আলোচনা করবো বাংলাদেশের এমনই কয়েকজন সুপারহিরো, সুপারহিরোইন ও সুপারভিলেনদের সম্পর্কে। তবে শুরু করা যাক। ১. সুপারম্যান (ড্যানি সিডাক):- পৃথিবীর বাইরের কোন গ্রহের বাবা-মা তাদের একমাত্র শিশু পুত্র সন্তানকে শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং মহাকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণী হিসেবে গড়ে উঠার জন্য বিশ বছরের জন্য পৃথিবীতে পাঠায়। পৃথিবীতে এসে সে আশ্রয় পায় এক খ্রিস্টান যাজকের কাছে। য
বাংলাদেশি সিনেমার কিছু কমন ভুল ও সমাধানের উপায়

বাংলাদেশি সিনেমার কিছু কমন ভুল ও সমাধানের উপায়

বিনোদন
কথায় আছে "সিনেমার গরু আকাশে উড়ে"। তাই বলে সিনেমায় সব গাঁজাখুরি বিষয়বস্তু তুলে ধরা হবে আর পাবলিক সেটা গোগ্রাসে গিলবে সেই দিন ফুঁড়িয়ে গেছে। দর্শকরা এখন সিনেমার ভুলত্রুটিগুলো সহজে মেনে নিতে পারছেন না। তবে এটাও সত্য যে সিনেমা আধ্যাত্মিক কোন বিষয় না। মানুষের হাতেই সৃষ্ট। আর মানুষ মাত্রই যেহেতু ভুল করে সেহেতু সিনেমায় একটু-আধটু ভুল হওয়াও দোষের কিছুই না। জগৎবিখ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ২০০ মিলিয়ন ডলারে বিশাল ক্যানভাসে নির্মিত টাইটানিক সিনেমাতে ২৭০টি ভুল পাওয়া গেছে !!! সেই হিসেবে আমাদের দেশের অল্প বাজেট এবং স্বল্প পরিসরে নির্মিত সিনেমাগুলোতে অধিক অধিক ভুল হওয়া অস্বাভাবিক কিছুই নয়। আমাদের সিনেমায় নিয়মিত এমন কিছু ভুল হয় যেগুলো সাধারন দর্শকদের চোখের পাশ কাঁটিয়ে যেতে পারে। তাই বলে সিনেমায় প্রচুর পরিমাণে ছোট-বড় ভুল ব্যাপারটা ভাল কিছু নয়। এতে দর্শকদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় এবং সিনেম