মুক্তমত

ইসলামী মৌলবাদীরাই কি তাহলে মুসলমানের সবচেয়ে বড়  দুষমন নয়?

ইসলামী মৌলবাদীরাই কি তাহলে মুসলমানের সবচেয়ে বড় দুষমন নয়?

মডারেট মুসলিমদের দেশ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় আছে -- এ রকম এক সময় বলতাম। এখন আর বলি না। দেশের মুসলিমও আর আগের মতো মডারেট নেই। ধর্মটা সেই ষাট-সত্তরের দশকে এত মূখ্য ছিল না মানুষের জীবনে। এখন মূখ্য হয়ে উঠেছে। সদা সত্য কথা বলবে, দুর্নীতি করবে না, মানুষকে ঠকাবে না, প্রতারণা করবে না, আদর্শ থেকে বিচ্যুত হবে না, সকলের সংগে দুঃখ সুখ ভাগাভাগি করবে, সহমর্মী হবে, সমতায় বিশ্বাস করবে--- এই সব নীতিপালনের বদলে ধর্মপালনই যখন মূখ্য হয়ে ওঠে, তখন খানিকটা সমস্যা তৈরি হয়। কারণ তখন দেশের প্রতি, সমাজের প্রতি, সহনাগরিকের প্রতি যে মানুষের স্বাভাবিক দায়িত্ব থাকে, নারী- পুরুষের মধ্যে সমতা তৈরির যে দায়িত্ব থাকে, সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ বজায় রাখার যে দায়িত্ব থাকে তা একেবারেই অনুভব করে না। কেউ যদি অনুভব করেও, তা মূখ্য নয়, নিতান্তই গৌণ। ভোলার বোরহানুদ্দিন উপজেলায় যা ঘটেছে কিছুদিন ধরে,
এক ক্ষনজন্মা বিরল প্রতিভার নাম এম. সাইফুর রহমান

এক ক্ষনজন্মা বিরল প্রতিভার নাম এম. সাইফুর রহমান

প্রধান সংবাদ, মুক্তমত
সামুন ভূইয়া || স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ক্ষনজন্মা বিরল প্রতিভার নাম এম. সাইফুর রহমান। আজকের আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনীতির পুনর্গঠনের মহান স্থপতি মরহুম জননেতা সাইফুর রহমান। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশী যিনি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আর সাইফুর রহমান এমন এক ব্যক্তি ছিলেন যিনি হঠাৎ করে পাদপ্রদীপে আসেননি। ছাত্রজীবনেই তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে জেল খেটেছেন। একজন মহান ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান “একুশে পদক” ও এই কর্মবীর পেয়েছেন। ছাত্রজীবনে ‘৫২ এর মহান ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি তৎকালীন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের তৎকালীন ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন । মৌলভীবাজার একটি ছোট্ট মহকুমা শহর ছিলো। সময়ের বিবর্তন
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ‘টক-ঝাল-মিষ্টি’

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ‘টক-ঝাল-মিষ্টি’

হুদাই মেডিসিন আর ডাক্তার দেখায় বেকুব স্বামী জাতি। কোন আবাল গবেষনা করে পাইছে "স্ত্রীর কথা মেনে চল্লে হৃদয়ের রোগ হবেনা"। তাইলে, এক কাম করেন "নিজের বাপ-মা'রে বৃদ্ধাশ্রমে রাইখা আসেন", দেখবেন ঘরই তখন বেহেস্হ। কিছু স্ত্রী জাতি এতোটাই হিংসুইটা যে তারা তাদের স্বামীরে দিয়া এমন কামটাও করায়। আবালের ঘরের আবাল এ জাতীয় মেয়েরা। বিয়ার সময় নেকামি মারাইয়া কতো কান্দে মেয়েরা (থুক্কু, ভুল কইছি এখন আর কান্দে না, এখন বেহাইয়ার মতো ফুটুশুট মারে হক্কলের সামনে)। বাসর রাতেই মন্ত্রটা পরায় ফালায় মনে হয়। গন্দম ফল খাইয়া স্বামী তো পুরো দুনিয়াটারেই বেহেস্হ মনে করবার লাগে। পারলে বৌয়ের পদধূলি নিয়া আঁচলের তলে ঠুকে। বৌ তো কলকাঠি নারতেই থাকে আর হাসে। কিছুদিনের মধ্যেই হুকুমজারি হয় "এ বাসায় সব আমার কথা মতো চলবে, বুঝ্ছো"। স্বামী তো অবাক হইয়া তাকায় থাকে। বলে "তুমি কি অতীত বুঝতে পারো জান?"। বৌ বলে "তুমি যে কারে বিয়
ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী সত্যিই ব্যতিক্রম

ব্রিটিশ ডিপ্লোমেট আনোয়ার চৌধুরী সত্যিই ব্যতিক্রম

নজরুল ইসলাম: আনোয়ার চৌধুরী একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশী কূটনীতিবিদ। তিনিই প্রথম কোন বাঙালি যিনি ব্রিটিশ হাই কমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন। একজন ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করেছেন বৈদেশিক ও কমনওয়েলথ অফিসে । ২০১৩ সাল থেকে আনোয়ার চৌধুরী পেরুতে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স’ বিভাগের পরিচালক ও ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভাগের পরিচালক ছিলেন। এর আগে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আনোয়ার চৌধুরী বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার আনোয়ার চৌধুরীকে ব্রিটিশ ওভারসীজ টেরিটরি’ হিসেবে পরিচিত কেম্যান দ্বীপপুঞ্জের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়েছিল যা ছিল ব্রিটিশ বাংলাদেশিদের জন্য ছিল গৌরবের অহংকারের। ব্যাক্তি আনোয়ার চৌধুরী a wonderful perso
শোভন-রাব্বানীর মধুভর্তি মেয়ে লাগে : পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেত্রী

শোভন-রাব্বানীর মধুভর্তি মেয়ে লাগে : পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেত্রী

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জায়গা না পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করছেন অনেকে। এ তালিকায় বাদ যাচ্ছেন না নারী নেত্রীরাও। শোভন-রাব্বানীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন কেউ কেউ। এক নেত্রী লিখেছেন, সাজুগুজু করে প্রোগ্রামে যেতে পারেননি বলে শোভন তাকে পদ দেননি। আরেকজন লিখেছেন, ‘নারীদের বিবাহিত হওয়া ও আন্ডারগ্রাউন্ড প্রটোকল দেয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটিতে বড় পোস্ট পাওয়ার মূলমন্ত্র।’ এদিকে পদবঞ্চিতরা সোমবার মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালায় শোভন-রাব্বানীর অনুসারীরা। এতে বেশ কয়েকজন নারী নেত্রী আহত হন। কমিটি ঘোষণার কিছুক্ষণ পর জেরিন দিয়া নামে কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক এক সদস্য ফেসবুকে লেখেন, ‘রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানী ভাই আপনাদের মধুভর্তি মেয়ে লাগে। বড় বড় প্রোগ্রামে মেয়েদের
পার্বত্যাঞ্চল শাসন করছে সন্ত্রাসীরা!

পার্বত্যাঞ্চল শাসন করছে সন্ত্রাসীরা!

মুক্তমত
সেলিম রায়হান বাংলাদেশের পার্বত্যাঞ্চল যেন ভিনদেশের কোন রাজা এসে দখল করে নিয়েছে। এখানে বাংলাদেশের প্রশাসনের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। শাসন করছে সন্ত্রাসীরা। পার্বত্য চট্টগ্রামে চাদাবাজি, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ ইত্যাদি স্বাভাবিক ঘটনা। প্রতি বছর প্রায় ৪শ’ কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় হচ্ছে। সশস্ত্র সংগঠনগুলো বিভিন্ন পদ্ধতিতে চাঁদা আদায় করে থাকে। চাঁদা আদায়ের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৬ উপজেলা ছাড়াও ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে তাদের রয়েছে কালেক্টর। তারা স্বাধীন জুম্মল্যান্ড প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে তিন হাজারের বেশি পাহাড়ি সন্ত্রাসী । চাঁদাবাজির হাত থেকে উপজাতি, বাঙালি কেউ বাদ যাচ্ছে না। চাঁদার বেশির ভাগ টাকা অস্ত্র কেনার কাজে ব্যবহার করছে। অস্ত্র আসছে ভারতের মিজোরাম হয়ে মিয়ানমার থেকে। একটি সরকারি গোয়েন্দা সূত্র থেকে জানা গেছে, ইউপিডিএফের সামর
অনেক ভালবাসি মা তোমাকে

অনেক ভালবাসি মা তোমাকে

আজ ‘বিশ্ব মা দিবস’। বিশ্বের সব মাকে উৎসর্গ করা দিন আজ। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়। মা দিবসের উদ্দেশ, প্রতিটি মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দেওয়া। ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয় মা দিবস। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে যেমন ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় রোববার নরওয়েতে, মার্চের চতুর্থ রোববার আয়ারল্যান্ড, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাজ্যে এবং বাংলাদেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার দিবসটি পালন করা হয়। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে আনা জার্ভিস ও তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জার্ভিসের উদ্যোগে মা দিবসের সূচনা হয়। আনা জার্ভিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোর ও ওহাইওর মাঝামাঝি ওয়েবস্টার জংশন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার মা অ্যান মেরি রিভস জার্ভিস সারা জীবন ব্যয় করেন অনাথ-আতুরের সেবায়। মেরি ১৯০৫ সালে মারা যান। লোকচক্ষুর অগোচরে কাজ করা মেরিকে সম্মান দি
দুঃখ সয়ে যাওয়া ‘দুখাই’ : রহমান মতি

দুঃখ সয়ে যাওয়া ‘দুখাই’ : রহমান মতি

বিনোদন, মুক্তমত
পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি - দুখাই পরিচালক - মোরশেদুল ইসলাম শ্রেষ্ঠাংশে - রাইসুল ইসলাম আসাদ, রোকেয়া প্রাচী, চাঁদনী, নাজমা আনোয়ার, আমিরুল হক চৌধুরী, আবুল খায়ের প্রমুখ। মুক্তি - ২২ জুলাই ১৯৯৭ '১২ ই নভেম্বর ১৯৭০। শতাব্দীর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে দেশের উপকূলীয় এলাকার দশ লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়' ছবি শুরুর আগে এভাবেই দেখানো হয় তথ্যটি। স্বাধীনতার আগে সত্তর দশকের শুরুর বছরের এই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের উপর ভিত্তি করে গুণী নির্মাতা মোরশেদুল ইসলামের মাস্টারপিস ছবি 'দুখাই।' বাংলাদেশ যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগেরও দেশ। এ দুটি একদম হাত ধরাধরি চলে। আমরা দেশের চিরায়ত প্রকৃতি দেখে যেমন মুগ্ধ হই আবার সেই প্রকৃতিরই ভয়ঙ্কর তাণ্ডবে প্রিয়জন, বাসস্থান, সম্পদ হারিয়ে আহাজারিও করি। এই বাস্তবতা উপকূলীয় অঞ্চলে বা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ঘটে। বঙ্গোপসাগরের এক
বাংলাদেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ : জীবন খান

বাংলাদেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ : জীবন খান

ফুটবল, মুক্তমত
এটাই হতে পারে আমাদের ফুটবলের উন্নয়নের একটি বড় কাঠামো। ছবি দেখে হয়তো ভাবছেন বি এস এল নামে আলাদা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ এর সমর্থন না করে আমি এই ঘরোয়া লীগ কে ঢেলে সাজানোর কথা কেন বল্লাম। এসব নিয়ে আমি আগেও পোষ্ট করেছি গ্রুপ গুলাতে। উত্তরটা হল ভারত এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগের ভালো করে যদি খুজ রেখে থাকেন তাহলে জানেন কিনা জানিনা ভারতে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ নিয়ে চাপে আছে ভয়ানক,। কেমন চাপ ?? এ এফ সির একটি স্লোগান আছে ওয়ান নেশন ওয়ান লীগ এক দেশে যদি এই এফ সির বায়লজ অনুযায়ী না হয় তাহলে সেই দেশ কে ব্যান করা হবে।এখন ভারত কে এ এফ সি ২০২০ পর্যন্ত সময় দিয়েছে তারা ওয়ান লীগ না করতে পারলে সরাসরি ব্যান করা হবে। তাই তারা আই লীগ আর আই এস এল কে এক করতে চাচ্ছে।এক করতে যেয়ে নানান ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছে যার কারনে এখনো এক করতে পারছেনা। কথা হচ্ছে আপনি কি চান বাংলাদেশের ফুটবল নতুন সংকটে পরুক ?? (অনেক
জাম্বু কাহিনী: রহমান মতি

জাম্বু কাহিনী: রহমান মতি

মুক্তমত
মৃত্যুবার্ষিকীর শ্রদ্ধাঞ্জলী - ৩ মে - জাম্বু : জাম্বু বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও সুপরিচিত অভিনেতা। ছোটবড় সবার কাছেই তাঁর নামটি বহুল পরিচিত। জাম্বু-র মূলনাম নাম বাবুল গোমেজ। জন্ম ঢাকায়, ১৯৪৪ সালে। শোনা যায় উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর শহরের পার্বতীপুর শহরের মেথরপট্টিতে একসময় থাকত। ঢাকায় কাজের সন্ধানে এসে ঘটনাক্রমে চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত হয়। বহু ছবিতে অভিনয় করেছে। সাদাকালো সময় থেকে শুরু করে রঙিন ছবি পর্যন্ত দাপটের সাথে অভিনয় করে। তাঁর লুক ছিল রুদ্রমূর্তির মতো। ভয় পাইয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট। ভয়েসেও সেই রুদ্রতা আছে। উল্লেখযোগ্য ছবি - সাগর ভাসা, এক মুঠো ভাত, রক্তের দাগ, শীষনাগ, সেলিম জাভেদ, হাসান তারেক, নির্দোষ, মোহাম্মদ আলী, ধর্ম আমার মা, ডাকাত, নবাব, রাস্তা, রাস্তার রাজা, রকি, আত্মরক্ষা, পরিবার, সন্ত্রাস, অতিক্রম, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, উত্থান পতন, নয়নমণি, হাবিলদার, বিজয়, ঝুম