শিল্প-সাহিত্য

আট লেখক পেলেন এসবিএসপি সম্মাননা

আট লেখক পেলেন এসবিএসপি সম্মাননা

শিল্প-সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য আটজন কবি ও কথাসাহিত্যিককে সম্মাননা ও অর্থ পুরস্কার দিয়েছে সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ (এসবিএসপি)। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালায় শনিবার সন্ধ্যায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছর কবি আলমগীর রেজা চৌধুরী, শিশুসাহিত্যিক মোজাম্মেল হক নিয়োগী, গীতিকবি অতনু তিয়াস, শিশুসাহিত্যিক জ্যোৎস্নালিপি, ঔপন্যাসিক কিঙ্কর আহসান, বিজ্ঞান লেখক রনক ইকরাম, গল্পকার সাইফ বরকতুল্লাহ, শিশুসাহিত্যিক শাম্মী তুলতুল এ সম্মাননা পান। এছাড়া, ২৩ জন লেখককে তাদের বইয়ের জন্য দেওয়া হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ছায়েদুল ইসলাম গ্রন্থ স্মারক। নীতুল প্রকাশনীর সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন শিশুসাহিত্যিক আসলাম সানী। প্রধান আলোচক ছিলেন কবি কাজী রোজি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও কবি মাসুদ পথিক।
আট সাহিত্যিক পাচ্ছেন এসবিএসপি সম্মাননা

আট সাহিত্যিক পাচ্ছেন এসবিএসপি সম্মাননা

শিল্পসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য আটজনকে সম্মাননা দিচ্ছে সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ (এসবিএসপি)। কবিতায় আলমগীর রেজা চৌধুরী, মোজাম্মেল হক নিয়োগী, গীতি কবিতায় অতনু তিয়াস, জ্যোৎস্নালিপি, উপন্যাসে কিঙ্কর আহসান, সায়েন্স ফিকশনে রণক ইকরাম, ছোটগল্পে সাইফ বরকতুল্লাহ, শাম্মী তুলতুল। আগামী ৬ জুলাই বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালায় এই সম্মাননা দেওয়া হবে। সম্মাননার আয়োজন করেছে সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ (এসবিএসপি)। সহযোগিতায় নীতুল প্রকাশনী।
বাজেট ছড়া||মোস্তফা ইমরুল কায়েস

বাজেট ছড়া||মোস্তফা ইমরুল কায়েস

বলতে মানা অনেক কিছু কিছু বললেই হবে মহাদোষ তেলের বাজার ভীষণ কড়া ঢোড়া সাপও মারে এখন ফোঁস। নিত্যপন্যে ধরছে আগুন যেনো বেঁচে থাকাই দায় চাল আনতে নুনেন দামে হাত না ছোঁয়া যায়।
হাইওয়েতে এক রাতে:  তানজিদ রাহমান

হাইওয়েতে এক রাতে: তানজিদ রাহমান

হাইওয়েতে এক রাতে -তানজিদ রাহমান নিস্তব্দ রাত্রি, ঘুটঘুটে অন্ধকারে ছেয়ে আছে চারপাশ। এরই মধ্য দিয়ে চলে গেছে এক প্রশস্ত হাইওয়ে। দুপাশে ঘন ঝোপঝাড়, আর রাবারের বন। মাইল দশেক এর মধ্যে মনুষ্য বসতি আদৌ আছে বলে মনে হয় না। রাশেদ এমন গা ছমছম করা পরিবেশে একরকম বাধ্য হয়েই তার গাড়িটি নিয়ে যেতে রাজি হয়েছে। স্ত্রীর আবদার বলে কথা। ফোনেই তো কেঁদে একেবারে চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছিল। না গেলে কি যে হবে কেই বা জানে। অগত্যা সে বেরিয়ে পড়ল এই অসময়ে। কিন্তু হঠাত 'ঠপাস' শব্দ করে টায়ারটা ব্লাস্ট হল। ঘটনার আকস্মিকতায় হচকচিয়ে গেল রাশেদ। সে ভালোই জানে আশেপাশে কোন বসতি নেই। এই অবস্থায় সাহায্য কোথায় পাবে কথাটা ভাবতেই ভয়ে তার শিরদাঁড়া বেয়ে শীতল জলের স্রোত বেয়ে পড়লো। এদিক একপাশ দিয়ে শাঁ শাঁ করে একটার পর একটা গাড়ি চলে যাচ্ছে। কিন্তু কারোরই সামান্যতম মানবতা দেখানোর প্রয়োজন মনে হল না। অবশ্য এই অবস্থায় সেই গাড়ি থ
ওর হাইট দেখছো মা,বাসর ঘরে চেয়ারের…

ওর হাইট দেখছো মা,বাসর ঘরে চেয়ারের…

Hanif Wahid ছেলে পক্ষ নবনীকে দেখতে এসেছে।মেহমান চলে যাওয়ার পর আয়েশা বেগম মেয়ের দিকে তাকিয়ে হাসি হাসি মুখ করে বললেন, নিশ্চয় তোর এই ছেলেটা পছন্দ হয়েছে? নবনী বললো, এইটা তুমি কি বললা, মা? ছেলের হাইট দেখেছ? রাস্তায় হাটতে গেলে তো এই ছেলে আমার হাটুর নীচে পড়ে থাকবে। মানুষ ডাকবে খাট্টা পীর বলে! কোথাও বেড়াতে গেলে ওকে তো আমাকে কোলে করে রিকশায় তুলতে হবে।তোমার একমাত্র মেয়ের জামাই এমন দুই ফুটের হউক তা তুমি চাও? আয়েশা বেগম বললেন, কি বলছিস তুই! ছেলের হাইট পাঁচ ফুট চার ইন্ঞি! তা হউক, এই ছেলে ক্যানসেল করে দাও। পরের সপ্তাহে ঘটক এক লম্বা ছেলের সন্ধান নিয়ে এলো। ছেলে সদ্য ইন্জিনিয়ারিং পাশ করেছে। আয়েশা বেগমের ছেলে পছন্দ হলো। তিনি মেয়েকে বললেন, এই ছেলের সাথেই তোর বিয়ে দেবো,এইবার না করতে পারবি না। নবনী বললো, তোমার কি মাথাটা গেছে, মা! এই ছেলের হাইট দেখেছ? এই ছেলের সাথে আমার যায়? বাসর রাতে তো চ
অমীমাংসিত রহস্য : তানজিদ রাহমান

অমীমাংসিত রহস্য : তানজিদ রাহমান

অমীমাংসিত রহস্য -তানজিদ রাহমান পাড়াগায়ে রাত্রি একটু তাড়াতাড়িই নামে বৈকি। সূর্য্যিমামা ডোবে যাবার ঘন্টা দু একের মধ্যেই রীতিমত আয়োজন করে আদিম অন্ধকারে ছেয়ে যায় গাছপালা ঘেরা অজপাড়াগা গুলো। এতে শহুরে বাবুরা আশ্চর্য হলেও গ্রামের চুনোপুটিসম মানুষগুলোর কেমন যেন গা শোয়া হয়ে গেছে। সন্ধ্যাবেলায়ই লণ্ঠনখানা নিভিয়ে দিয়ে দিব্যি ঘুমের পায়তারা করে বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ ও মহিলা সদস্যেরা। ভোরে আবার উঠতে হবে তো। এদিক থেকে অপেক্ষাকৃত মধ্যবয়সী পুরুষগুলো শ্রান্ত বদনে না জিরিয়ে মধ্যরাত অবধি গ্রাম্য হাটে খোশগল্পে মত্ত থাকে। এতো গেলো হতদরিদ্র ঘরের চিত্র। পাড়াগায়েও মুষ্টিমেয় কয়েকজন থাকে যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল। বাড়িতে ইলেক্ট্রিসিটি এমনকি টেলিভিশন ও থাকে তাদের। ভোগ বিলাসের সব কিছু না থাকলেও চাহিদা মেটানোর সব উপাদানই থেকে থাকে। এমনই একটি পরিবারের ছেলে রাজেশ। অবশ্য পরিবার বললে ভুল হবে। বাবা-মা দুজনেই পরলোক গমন করে
মতিন রহমানের ‘রাঙাভাবী’: যে গল্পের ছবি আজো হয়না

মতিন রহমানের ‘রাঙাভাবী’: যে গল্পের ছবি আজো হয়না

ফজলে এলাহী ১৯৮৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকা যদি খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন সেই বছরে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের দারুন একটি বছর ছিল । পুরস্কারের তালিকায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু মূলধারার বাণিজ্যিক বিনোদনধর্মী ছবির জয় জয়কার । সেই বাণিজ্যিক ছবির জোয়ারে আলমগীর ও শাবানা’ দুই অভিনেতা অভিনেত্রীর সত্য মিথ্যা, ক্ষতিপূরণ, চেতনা, রাঙাভাবী, ব্যথার দান , বিরহ ব্যথা’র মতো একাধিক জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত ছবির লড়াই। আজ সেই ১৯৮৯ সালের একটি দর্শক নন্দিত ছবির কথা সংক্ষেপে বলছি । ১৯৮৯ সালের পুরো বছরটা পরিবারের সাথে দারুন দারুন সব চলচ্চিত্র সিনেমা হলে দেখেছিলাম যার মধ্যে ‘’রাঙাভাবী’’ ছবিটা ছিল স্মরণীয় ছবিগুলোর একটি । সিলেটের নন্দিতা সিনেমা হলে সপরিবারে পাড়া প্রতিবেশি সহ কুরবানির ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত মতিন রহমানের ‘’রাঙাভাবী’’ ছবিটা দেখেছিলাম । বছরের শুরুর দিকে যেমন আলমগীর শাবানা’র সুপা
নারীর দুঃখ : জাহির ‍সুলতান

নারীর দুঃখ : জাহির ‍সুলতান

নারীর দুঃখ জাহির ‍সুলতান আমার কোনো দুঃখ নেই-একদিন যে নারী ভালোবেসে বয়েছিলো নদীর মত,সেই নদীটার শুকিয়ে যাওয়ায় আমার কোনো দুঃখ ছিলো না। আমার কোনো দুঃখ নেই-বিষাদের উপত্যকায় যেখানে সমাধিস্থ প্রেমিকের শরীর,এপিটাফে লেখা শেষ কবিতায় তোমার নাম নেই বলে আমার কোনো দুঃখ ছিলো না। আমার কোন দুঃখ নেই,বিষাদগ্রস্ত হৃদয় নিয়েও যেখানে দিন কাটিয়ে ভোর নিয়ে আসি; মাথার ওজন সয়ে ও চোখ উপরে তোলে আকাশ দেখতে পারি বলে- আমার কোনো দুঃখ ছিলো না। আমার আসলে দুঃখ নেই,মূলত দুঃখী হতে গিয়ে বন্দী হয়েছিলাম অভিশপ্ত সুখে।
অবসন্নতা এবং সে : জাহির সুলতান

অবসন্নতা এবং সে : জাহির সুলতান

অবসন্নতা এবং সে -জাহির সুলতান কখনো জানতে চাই নি তোমার হৃদপিণ্ডের ঠিক কতটা স্তর কতটা ধাপ পরে আমার নাম কিংবা প্রেমিক হিসেবে আমার সংখ্যাগত পরিচয়, বস্তুত আমার জানার ইচ্ছে ছিলো আমার আগে ঠিক কতজন পুরুষ, কতটা শরীর,কতটা স্বপ্ন,কতটা গল্প,কতটা রাত কিংবা গল্পের পর আমাদের অবস্থান। আমি আসলে কখনো জানতেই চাইনি, সত্যি বলতে জানার ইচ্ছে যে ছিলো না ঠিক তাও না,প্রবল ইচ্ছে থেকে সুক্ষ ইচ্ছে সবই ছিলো, তবুও কোনো অজানা অজুহাত,অদৃশ্য দেয়াল ভেঙে আমি কখনো জানতে চাই নি, কখনো প্রশ্ন করিনি, হয়তো চাই নি তুমি থামো,তুমি থমকে দাড়াও;তুমি রুখো। আমি? আমি এখনো অপরিণত শুক্রাণু কিংবা অসম্পূর্ণ কোনো কবিতা।