ধর্ম ও জীবন

যে ১৬টি হিন্দি-উর্দু গানের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সাথে শিরক করছি

যে ১৬টি হিন্দি-উর্দু গানের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সাথে শিরক করছি

প্রথমেই বলে রাখি, আমি নিজেই প্রচুর গান শুনি এবং সিনেমা আমার জীবনের একটি অংশ। তাই নীতিগতভাবে আমি গানবাজনা হারাম কি হালাল এসব নিয়ে কাউকে কিছু বলার এখতিয়ার রাখি না। শুধু এতটুকু জানি মহান আল্লাহ পাক তার সাথে কাউকে শরিক করা বাদে বাকি যেকোন গুণাহ ইচ্ছে করলে ক্ষমা করে দিতে পারেন। তার মানে একজন মুসলমানের সর্বপ্রথম কর্তব্য হলো শিরক করা থেকে বেঁচে থাকা। তবে দুঃখের ব্যাপার আমরা প্রায়ই বুঝে বা না বুঝে বিভিন্নভাবে শিরকের সাথে জড়িয়ে পড়ছি। আর এর অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে কিছু হিন্দি গান। যেগুলোতে সুফি মতাদর্শ বা ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মতবাদের দোহাই দিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আল্লাহর সাথে শিরক করা হচ্ছে। হিন্দি গানগুলোতে রব, খোদা, সেজদা, দোয়া, ঈমান বা আল্লাহর নাম থাকলেই অল্পস্বল্প হিন্দি জানা লোক সেগুলোকে ভাল বা আধ্যাত্মিক গান বলে মনে করে। অথচ সেগুলোর মধ্যে কিছু গান কিন্তু হতে পারে আপনার শিরক করার মত অমার্জনীয়
৫০ বছর ধরে ‘আল্লাহ’ লেখা কাগজ সংরক্ষণই যার কাজ

৫০ বছর ধরে ‘আল্লাহ’ লেখা কাগজ সংরক্ষণই যার কাজ

জর্ডানের বৃদ্ধ মুহাম্মাদ সালিম আল ইয়াসরা। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে মহান আল্লাহর নাম ‘اَللهُ; আল্লাহু’ লেখা যে কোনো কাগজই সংরক্ষণ করছেন তিনি। পাশাপাশি কুরআনের খেদমতও করছেন। নিজেকে এ কাজেই নিয়োজিত রেখেছেন ‘আবু জাকারিয়া’ নামে সমধিক পরিচিত এ বৃদ্ধ। বৃদ্ধ আবু জাকারিয়া পবিত্র কুরআনুল কারিমের পুরনো কিংবা ছেড়া কপিগুলো সংগ্রহ করে তা পুনঃবাঁধাইয়ের মাধ্যমে মানুষের পড়ার উপযোগী করে আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে তা বিতরণ করছেন। ২০১৮ সালে তিনি জর্ডানের বিভিন্ন শহরপল্লী থেকে কুরআনুল কারিমের পুরনো ৫০০ পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করেন। সেগুলো ঠিক করে তিনি আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় প্রেরণ করে তা বিতরণ করিয়েছেন। ৫০ বছর আগে (সত্তরের দশকে) মুহাম্মাদ সালিম আল-ইয়াসরা প্রতিজ্ঞা করেছেন, ‘আল্লাহ’ লেখা যে কোনো কাগজ সংরক্ষণ করে শরিয়ত মোতাবেক তা সংরক্ষণ ও হেফাজতের ব্যবস্থা করবেন। সেই থেকে এ কাজে তার পথচলা। বর্তমানে তার কাছে
প্রকাশ্য সমাবেশে কুরআন ছুড়ে মারলো নরওয়ের অ্যানা ব্রাটেন

প্রকাশ্য সমাবেশে কুরআন ছুড়ে মারলো নরওয়ের অ্যানা ব্রাটেন

উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডেনিভিয়ান দেশ নরওয়ে। সম্প্র্রতি দেশটিতে ইসলাম ও মুসলমানদের চলাফেরা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধে জোর দাবি ও প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে দেশটির ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’ নামে ইসলাম বিদ্বেষী একটি দল। সেখানে পবিত্র কুরআন ছুড়ে ফেলেন। খবর আনাদুলু এজেন্সি। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’ নামে ইসলাম বিদ্বেষী দলটির প্রধান অ্যানা ব্রাটেন প্রকাশ্য সমাবেশে পবিত্র কুরআনুল কারিম ছুড়ে ফেলে দেন। অ্যানা ব্রাটেন ইসলাম, হিজাবসহ অনেক বিষয়ে দীর্ঘ সময় বক্তব্য দিতে থাকেন। পুলিশি প্রহরায় এ বক্তব্য দেয়া কালে হঠাৎই কুরআনের একটি কপি বের করেন। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা কুরআনের কপিটি সংরক্ষণে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে অ্যানা ব্রাটেন পবিত্র কুরআনের কপিটি প্রতিবাদকারী মুসলিমের দিকে ছুড়ে ফেল দেন। অ্যানা ব্রাটেনের সমাবেশ স্থলে মুসলিমরা তার বক্তব্য ও দাবির তীব্র প্রতিবাদ করেন। প্রতিবাদকারীদেরক
ইতেকাফ সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক

ইতেকাফ সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানা আবশ্যক

পবিত্র লাইলাতুল কদর সন্ধানে রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করার বিকল্প নেই। রোজা ফরজ হওয়ার পর বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো ইতেকাফ ছাড়েননি। ইতেকাফ হলো রমজানের শেষ ১০ দিন অর্থাৎ ২০ রমজান সন্ধ্যার আগেই মসজিদে কিংবা সুনির্দিষ্ট স্থানে নিজেকে আবদ্ধ রাখা কিংবা অবস্থান করা। এ ১০ দিন দুনিয়ার যাবতীয় কাজ ও পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা। সে হিসেবে এ বছর ২০ রমজান ১৪৪০ হিজরি মোতাবেক ২৬ মে রোববার সন্ধ্যায় ইতেকাফ পালনে নির্ধারিত স্থানে অবস্থান নেবে মুমিন মুসলমান। ইতেকাফ পালনে নারী-পুরুষের রয়েছে আবশ্যক করণীয় কিছু জরুরি বিষয়। আর তা হলো- ২০ রমজান ইফতারের আগে ইতেকাফের নিয়তে মসজিদের সুনির্দিষ্ট স্থান বা ঘরের নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করা আবশ্যক। সে হিসেবে এ বছর ২৬ মে (রোববার) ইফতারের আগেই মসজিদে চলে যাওয়া। ইতেকাফের স্থানে গিয়েই ১০ দিন মসজিদে অবস্থানে ইতেকাফের নিয়ত করা
রমজানে যে সময় নিশ্চিত দোয়া কবুল হয়

রমজানে যে সময় নিশ্চিত দোয়া কবুল হয়

রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত লাভের মাস রমজান। এ মাস আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নেয়ার মাস। যে যত বেশি চাইতে পারে, আল্লাহ তাআলা তাকে তত বেশি দান করেন। রমজান মাসে আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ লাভের অতি মূল্যবান দুটি সময় আছে। যে সময় আল্লাহর কাছে কোনো কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ বান্দাকে ফেরত দেন না। রমজানে এ সময়টিতে দোয়া করে কাঙ্খিত জিনিস লাভের সুর্বণ সুযোগ গ্রহণ করতে পারে রোজাদার। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন সময়ের দোয়া মহান আল্লাহ বেশি গ্রহণ করেন। জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন- ‘রাতের দুই তৃতীয়াংশ শেষের দোয়া অর্থাৎ রাতের দুই ভাগ অতিক্রম করার পর যে দোয়া করা হয়।’ সে হিসেবে একটি সময় হলো- ফজরের আগে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষিত রাতের দুই তৃতীয়াংশের পরের সময় এটি। এ সময় দোয়া কবুলের জন্য বিশেষ সময়। এ স
রোজা না রাখা বা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি আছে যেসব কারণে

রোজা না রাখা বা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি আছে যেসব কারণে

ইসলাম মানুষের স্বভাবজাত একটি ধর্ম। দ্বীন হচ্ছে সহজ বিষয়। বোখারির এক হাদীসে এসেছে, দ্বীন সহজ। যে কেউ দ্বীনের মধ্যে কঠোরতা অবলম্বণ করবে সে দ্বীন থেকে বিচ্যুত হবে। মানুষের সাধ্যাতীত কোনো বিধান ইসলাম দেয়নি।  এই বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় রোজার ক্ষেত্রে। কারণ রোজা রাখা অনেক কষ্টের বিষয়। কিন্তু কারো জন্য যদি সাধ্যাতীত হয় তাহলে তাৎক্ষণিক তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। রোজা যে আয়াতে ফরজ করা হয়েছে ওই আয়াতেই সাধ্যাতীত হলে রোজা না রাখার অনুমতির কথাও বলা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। যাতে তোমরা পরহেজগার হতে পারো। (রোজা ফরজ) নির্দিষ্ট কয়েকদিন। তবে তোমাদের মধ্যে যে অসুস্হ বা মুসাফির হবে (তার ওপর তাৎক্ষণিক রোজা ফরজ নয়, বরং এ কারণে যে কয় দিন রোযা ভেঙ্গেছে) তার পরিবর্তে অন্য কোনো সময় রোজা রাখবে।’ (সূরা
স্বাস্থ্য খাতে মুসলমানদের অবদান

স্বাস্থ্য খাতে মুসলমানদের অবদান

হাজার বছর পূর্বের স্বাস্থ্যসেবার কথা আলোচনা করলে অনেকেই সেসময়ের চিকিৎসার মানের কথা জেনে রীতিমত অবাক হবেন। শুধু উন্নতমানের চিকিৎসাই নয়, তখন সকলের জন্যই বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। ইংরেজি শব্দ ‘হসপিটাল’ এর আক্ষরিক অর্থ যে আতিথেয়তার কথা বোঝায়, মধ্যযুগের হাসপাতালগুলো ছিল ঠিক এমনই। সেখানকার চিকিৎসকেরা ছিলেন সে আমলের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা জ্ঞানের অধিকারি এবং হাসপাতালে আগত সকলকেই তারা বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতেন। বলা যেতে পারে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা বা ‘ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস’র এ অগ্রদূত ছিল মধ্যযুগের স্বাস্থ্যসেবা। স্বাস্থ্যখাত এমন বিকশিত হবার পেছনে মূল অবদান ছিল মুসলিম শাসকদের। কার তৈরি হাসপাতালের সৌন্দর্য এবং মান সবচেয়ে ভালো হবে, এটা নিয়ে তাদের মাঝে রীতিমত প্রতিযোগিতা হোত। কোন কোন হাসপাতাল ছিল বিশাল। কোনদিন গাছ-গাছালি আর বাগানে ঘেরা সৌন্দর্য ছিল অতুল
রোজাদারদের জন্য স্বাস্থ্য পরামর্শ

রোজাদারদের জন্য স্বাস্থ্য পরামর্শ

রমজান মাস হলো বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। পৃথিবীর কোনো সম্পদের সঙ্গে এ অনুগ্রহের তুলনা চলে না। রমজানের আগমনে প্রকৃত মুমিনের অন্তরে প্রফুল্লতার ধারা বইতে শুরু করে। পবিত্র এ মাসে মুসলিমরা একটা নির্দিষ্ট সময়ের দৈর্ঘ্যের মধ্যে সমস্ত রকম পানাহার ও যৌনক্রিয়াদি থেকে বিরত থাকেন। এটাকে বলা হয় সিয়াম বা রোজা পালন। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো সিয়াম পালন। কিন্তু সিয়াম সাধনার এ মাসে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম না মানলে অথবা জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন না আনলে অসুস্থ হওয়া কিংবা ইবাদাতে বিঘ্ন ঘটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এ প্রতিবেদনে রমজানের বরকতময় দিনগুলোতে রোজাদারদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো। রমজানের একটি প্রচলিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হলো খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা। প্রথমে দুটো খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি বা শরবত পান করুন। তারপর কুসুম গরম স্যূপ, সালাদ ও ইফতারের প্রধান আইটেমটি
প্রথম রমজানের দিনে যে দোয়া পড়বেন

প্রথম রমজানের দিনে যে দোয়া পড়বেন

রমজান রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। আজ পবিত্র রমজানের প্রথম দিন। রমজানে বান্দার ইবাদত-বন্দেগি প্রার্থনা সহজেই মঞ্জুর হয় আল্লাহর দরবারে। রমজানে পৃথিবীর বুকে আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের ঢল নামে। হজরত সালমান ফারসী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এ মাস (রমজান মাস) যার প্রথম ভাগ রহমত, মাঝের ভাগ মাগফিরাত আর শেষ ভাগ হচ্ছে দোজখ থেকে মুক্তি’। আজকের এই দিনে রোজাদার ধর্মপ্রাণ মুসলমান দিনভর তাওবা ইস্তেগফারের পাশাপাশি আল্লাহর কাছে বেশি বেশি এ দোয়া করবেন।  ‘আল্লাহুম্মাঝআ’ল সিয়ামি ফিহি সিয়ামিস সায়িমিন; ওয়া ক্বিয়ামি ফিহি ক্বিয়ামিল ক্বায়িমিন; ওয়া নাব্বিহনি ফিহি আন নাওমাতিল গাফিলিন; ওয়া হাবলি ঝুরমি ফিহি ইয়া ইলাহিল আলামিনা ওয়াফু আন্নি ইয়া আফিয়ান আনিল মুঝরিমিন।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ ! আমার রোজাকে প্রকৃত রোজাদারদের রোজা হিসেবে গ্রহণ করুন। আমার নামাজকে প্রকৃত
চাঁদ দেখা গেছে, মঙ্গলবার রোজা শুরু

চাঁদ দেখা গেছে, মঙ্গলবার রোজা শুরু

দেশের আকাশে সোমবার সন্ধ্যায় মাহে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র রমজান। ১ জুন শনিবার দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে। সোমবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ ঘোষণা দেন কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। এর আগে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগে ফোন করে ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, রাজবাড়ী, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলা অফিসের উপ-পরিচালকরা চাঁদ দেখার সংবাদ জানিয়েছেন।