সিলেট পুলিশের তৎপরতা সারাদেশে প্রশংসিত

শনিবার (২৬ অক্টোবর) ছিলো শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা। এতে সারা দেশের প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এতো বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর সাথে অভিভাবক মিলে প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষের আগমন ঘটে সিলেটে। ফলে গত রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত সিলেট হয়ে ওঠেছিল মানুষের শহর।

শাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত বিড়ম্বনা সারা দেশে বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল গতবছর। কিছু অসাধু যানচালকদের কারণে হয়রানীর শিকার হওয়া পরীক্ষার্থীদের সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছিল সিলেটবাসী। গতবছরের বিষয়টি মাথায় রেখে এবার পরীক্ষার্থীদের স্বেচ্ছায় যাতায়াত সুবিধা দিতে এগিয়ে এসেছে বেশ করেকটি সংগঠন। সেই সাথে নড়েচড়ে বসেছে সিলেটের পুলিশ প্রশাসনও।

এ অবস্থায় আগত পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর জন্য এ ১৩ টি সচেতনতামূলক নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়।

আরো পড়ুন :   প্রেমের প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যান: স্কুল ছাত্রীকে কুপালো বখাটে ছেলে

ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে জনসচেতনতা বাড়াতে শুক্রবার পুরো শহরে মাইকিং করে সিলেট মহানগর পুলিশ। অতিরিক্ত ভাড়া না আদায় করতে অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের সাথে বৈঠকও করে তারা। বৈঠক করে অন্যান্য পরিবহণ সংগঠনের সাথেও। যাতে কোনো পরীক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হয় এ ব্যাপারে তাদেরকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেয় পুলিশ।

এদিকে শনিবার পরীক্ষার দিন সকাল থেকেই শাবিপ্রবির যাতায়াতমুখী সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ছিল পুলিশের টহল। পয়েন্টে পয়েন্টে ছিল বিশেষ চেক-পোস্ট। কোনো যানবাহন বেশি ভাড়া আদায় করছে কি না বা কোনো পরীক্ষার্থী হয়রানীর শিকার হচ্ছে কি না; এ ব্যাপারে ছিল পুলিশের বিশেষ নজরদারী। হয়রানি হলেই ছিল কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি। সিলেট মহানগর পুলিশের এমন তৎপরতা সারাদেশে বেশ প্রশংসিত হয়।

আরো পড়ুন :   ছাড়পত্র পেল ‘পাসওয়ার্ড’, ২০০ স্ক্রিণে দেখানোর প্রস্তুতি

এছাড়া পরীক্ষার সময় রাস্তার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ছিল বিশেষ পার্কিং স্পট। সব মিলিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশ ছিল এক অনন্য ভূমিকায়। মহানগর পুলিশের এমন প্রশংসনীয় উদ্যোগ উঠে আসে