বাংলাদেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ : জীবন খান

এটাই হতে পারে আমাদের ফুটবলের উন্নয়নের একটি বড় কাঠামো।

ছবি দেখে হয়তো ভাবছেন বি এস এল নামে আলাদা ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ এর সমর্থন না করে আমি এই ঘরোয়া লীগ কে ঢেলে সাজানোর কথা কেন বল্লাম। এসব নিয়ে আমি আগেও পোষ্ট করেছি গ্রুপ গুলাতে।

উত্তরটা হল ভারত এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগের ভালো করে যদি খুজ রেখে থাকেন তাহলে জানেন কিনা জানিনা ভারতে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লীগ নিয়ে চাপে আছে ভয়ানক,।
কেমন চাপ ??
এ এফ সির একটি স্লোগান আছে ওয়ান নেশন ওয়ান লীগ
এক দেশে যদি এই এফ সির বায়লজ অনুযায়ী না হয় তাহলে সেই দেশ কে ব্যান করা হবে।এখন ভারত কে এ এফ সি ২০২০ পর্যন্ত সময় দিয়েছে তারা ওয়ান লীগ না করতে পারলে সরাসরি ব্যান করা হবে। তাই তারা আই লীগ আর আই এস এল কে এক করতে চাচ্ছে।এক করতে যেয়ে নানান ধরনের জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছে যার কারনে এখনো এক করতে পারছেনা।

কথা হচ্ছে আপনি কি চান বাংলাদেশের ফুটবল নতুন সংকটে পরুক ??
(অনেক সাংবাদিক আছে আশা রাখি আমার দেয়া তথ্যের সত্যতার খুজ নেবেন))

আরো পড়ুন :   জাম্বু কাহিনী: রহমান মতি

তাহলে কি ফর্মুলায় হতে পারে আমাদের লীগ ??

সেটার একটা মডেল আমি বলছি
প্রিমিয়ার লীগ থেকে আবাহনী মোহামেডান সহ ১০-১১ দল নিবে এবং সরাসরি প্রিমিয়ার লীগে প্রমোশন দিয়ে ৫-৬ দলকে আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে যারা ভিবিন্ন আঞ্চলিক নামে নতুন দল গুলা ফ্রম করবে।

এখন বলতে পারেন ভেন্যুর কথা :
আমি বলছি এখনো বাফুফের হাতে রয়েছে ৬-৭ টি ভেন্যু ।আমি যদি বলি আর তিনটি ভেন্যু জাতীয় ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে যদি চাওয়া যায় তাহলে তারা মানা করবেনা ??
কেননা এখন যিনি ক্রীড়া মন্ত্রী তিনি একজন ভায়ানক রকমের ফুটবল প্রেমি এবং খুবি চমৎকার মানুষ।
তার কাছে পুরো লীগের মডেল নিয়ে যাওয়া হলে তিনি মানা করবেন না।

আর ভেন্যু হাতে আসলে প্রতিটা ভেন্যু কে দুটি দলের হোম ভেন্যু হিসেবে বরাদ্ধ দিতে হবে।
এতে করে যে যে বিভাগ গুলোতে ভেন্যু গুলা পাবে সেই বিভাগের নামে একটা ডার্বি ম্যাচ হবে ৮ টা যা প্লাস পয়েন্ট, যা উত্তেজনাকর হবে। আর ৮ টা ভেন্যু দিয়েই হয়ে যাবে ১৬ দলের ম্যাচ।

আরো পড়ুন :   মেডিসিনের গোপন কথা!

এখন প্রশ্ন আসতেই পারে ভেন্যুগুলার যা অবস্থা ভাই কিভাবে কি

তাহলে বলতেই হচ্ছে আপনি তাহলে বলতে হচ্ছে ময়মনসিংহের সাইফ এবং আরামবাগের হোম ভেন্যু দেখেন নাই।
মাত্র ১০-১২ লাখ টাকা খরচ করে কি আধুন্নিক ড্রেসিং রুম,লকার ,আইস বাথ মাঠে পানি দেয়ার আধুনিক যন্ত্র,মাঠে মাটি ভরাট এবং নতুন ঘাস লাগানো এবং গ্যালারিতে রং করা যা অভাক করা বিষয়।সাথে উদাহরন হিসিবে কিংস এর হোম ভেন্যু নীলফামারী কে নেয়াও যেতে পারে।
এই টাকা তো দুটি দল মিলে খরচ করতেই পারে যারা কিনা ৫-৬ কোটি টাকা খরচ করে দল গঠন করতে পারে।
তাহলে ফ্ল্যাড লাইট ??
ভাই সারা দুনিয়া লা লিগা ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ হয় ডে লাইটে,এমন কি ওয়ার্ল্ড কাপের ম্যাচ হয় ডে লাইটে সেখানে বাংলাদেশের ঘরোয়া লীগ এর কিছু ম্যাচ ডে লাইটে হলে সমস্যা কি ??

এখন প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে লীগের বাণিজ্যিক করন কিভাবে হবে ?

আমি হয়তো মডেল টা বলতে পারবো না
তবে আমাদের দেশের স্পোর্টস মার্কেট রিসার্চ নিয়ে যার ভালো কাজ করছে তাদের মধ্কেযে স্পোর্টস এর ফাহাদ করিম।অন্য দিকে সাইফ গ্লোবাল স্পোর্টস তারাও কাজ করেছে।তারা জয়েন্ট ভ্যাঞ্চারে চাইলেই একটা বাণিজ্যিক রূপরেখা তৈরি করতে পারে শুধুই একটু স্বদ ইচ্চার দরকার।

আরো পড়ুন :   ম্যান ইউকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে বার্সালোনা

বঙ্গমাতা গোল্ড কাপ নিয়ে কে স্পোর্টস যে একটা ব্র্যান্ডিং করেছে কে স্পোর্টস, এক মাস আগে থেকে সেম ভাবে যদি পুরুষ ফুটবল লীগ নিয়ে যদি ব্র্যান্ডিং হয় তাহলে সারা দেশেই একটা বড় দাক্ষা হবে।
এ ক্ষেত্রে কে স্পোর্টস এবং সাইফ কে কাদে কাদ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে কাজ করা যাবেনা।
দুটিই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সেক্ষেত্রে কে বাণিজ্যিক ভাবেই ভাবা উচিৎ।

আর লীগের নাম পরিবর্তন হলে মানুষ জনের একটা আগ্রহ থাকে নতুন কিছুর প্রতি।
আর সেমি ফাইনা আর ফাইনাল এর কথা কেন বল্লাম ??
আমাদের দেশের মানুষ জন আসলে এসব পয়েন্টে খুব একটা আগ্রহ দেয় না।তারা সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল নিয়ে বেশ আগ্রহী।তাই বল্লাম।

এভাবে যদি হয় তাহলে এফ এফ সির ঝামেলাও থাকবেনা এমন কি ক্লাব পলেটিক্সের চিপায় ও পরতে হবেনা।
দিন শেষ এ ফুটবলের ই উন্নতি হবে।

আর লীগের নাম BSL হলেও সমস্যা নাই।