উপশহরে ছাত্রলীগ কর্মী জাহিদ হত্যার এক বছর: তদন্তে ধীরগতি

সিলেট নগরীর উপশহরে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে খুন হওয়া জাহিদ হত্যার এক বছর পূর্ণ হল আজ শুক্রবার। এক বছরে মামলার তেমন কোন অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশায় রয়েছে জাহিদের পরিবার। মামলার চার্জশিট থেকে ৫ আসামী বাদ পড়ায় আদালত পুণরায় তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

শুক্রবার বিকেলে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারে জাহিদের পরিবারের পক্ষ্য থেকে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। এসময় নিহত জাহিদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু বান্ধবরা উপস্থিত ছিলেন।
 
২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর উপশহরে জাহিদকে ছুরিকাঘাত করে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা।পরে ওসমানী হাসপাতালে নেয়ার পর তিনি মারা যান।জাহিদ নগরীর তেররতন সৈদানীবাগ ১৯/৩৭নং বাসার কামাল মিয়ার ছেলে।

আরো পড়ুন :   ইংল্যান্ডের নিউহাম কাউন্সিলের কেবিনেটে মৌলভীবাজারের জ‌সিম

সিলেট নগরীর সীমান্তিক স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থ ছিলেন তিনি। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

পরদিন জাহিদের পিতা বাদী হয়ে শাহপরান থানায় ৯ জনকে আসামী ও কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে একটি  হত্যা মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার রাজীব কুমার রায় এজহারভুক্ত ৯ আসামীর মধ্যে ৫ জনকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। মামলার ১নং আসামী ফজর আলী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে ছোট জাহিদ ও নয়ন নামের ২ জনের নাম ঘটনার সাথে জড়িত উল্লেখ করলেও পুলিশ চার্জশিট থেকে তাদের নামও বাদ দেয়।

তদন্ত কর্মকর্তা মামলার আসামী রাহাত, উবায়দুল, নয়ন ও ছোট জাহিদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি দেখিয়ে তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। কিন্তু নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি এমন অজুহাতে মামলা থেকে আসামীকে বাদ দেওয়াকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন আদালত। আদালত বলেন, যেহেতু এটি একটি হত্যাকাণ্ড বিধায় নাম ঠিকানা নিরূপণ করার চেষ্টা দরকার।

আরো পড়ুন :   ‘ছাত্রলীগের পদে চিহ্নিত অপরাধীরা’

বর্তমানে মামলাটি পিবিআইএর অধীনে তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কর্মকর্তা ফোনে তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।